আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমি বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন সময় বলেছি, আমি কখনোই বিশ্বাস করি না ইসলাম ধর্ম বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম থাকা উচিত। এটা আমাদের কৌশল। আমরা সুযোগ পেলে, সময় পেলে ইনশাহ আল্লাহ এটাকে সংবিধান থেকে তুলে দেবো।’
তিনি বলেন, ‘আমরা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছি বাংলাদেশকে একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ার জন্য। এ দেশে আমরা সকল ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করি। এ দেশ একটি অসাম্প্রদায়িক ও সম্প্রীতির দেশ।’
ড. রাজ্জাক বলেন, পঁচাত্তরের পর মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি দেশের যুবসমাজকে বিভ্রান্ত করেছিল। তারা দীর্ঘ ২১ বছর ক্ষমতায় থেকে তিলে তিলে সুকৌশলে বাংলাদেশকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছিল। সামরিক, বেসামরিক, স্বৈরাচাররা ক্ষমতায় থেকে দেশকে শেষ করে দিতে চেয়েছিল। একটি অসাম্প্রদায়িক গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা তারা করেছিল।
তিনি আরো বলেন, ‘অনেক কষ্ট করে দেশকে ধ্বংসযজ্ঞ থেকে ফিরিয়ে আনতে অনেক কৌশল অবলম্বন করতে হয়েছে। এর জন্য আমাদের অনেক সময় লেগেছে। আমরা এখন অনেক উন্নতি করেছি। সারা পৃথিবী জানে, বাংলাদেশ অনেক উন্নতি করেছে। আমরা এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চাই, অব্যাহত থাকবে ‘
সার্ক কালচারাল সোসাইটির সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সংঠনের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কমিটির সম্পাদক শ্রী প্রীতম ঘোষ, ভারতের সব্বোর্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রী পদকপ্রাপ্ত সমাজকর্মী শ্রী অজয় দত্ত ও আসাম প্রদেশ কমিটির মুখপাত্র শিলাদিত্য দেব প্রমুখ।