বিতর্কিত জনপ্রতিনিধি
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেড় বছর দূরে হলেও দলগুলোর কর্মকাণ্ড এখনই সে লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ইসির খসড়া রোডম্যাপ প্রকাশের পর সব ক্ষেত্রেই কিছুটা নির্বাচনী আমেজ লক্ষণীয়। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ বড় দলগুলো বিভিন্ন আসনে তাদের সম্ভাব্য প্রার্থী যাচাই-বাছাইয়ের কাজ করছে। সব সংসদেই কিছু এমপির কর্মকাণ্ডের কারণে ক্ষমতাসীন দলকে বড় ধরনের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে এবং পরবর্তী নির্বাচনে তারা মনোনয়নবঞ্চিত হলেও সেটা খুব বেশি আগাম জানা যায়নি। তবে এবারের চিত্র কিছুটা ব্যতিক্রমই বটে। সমালোচিতদের মনোনয়ন দেয়া হবে না- এমন ঘোষণা প্রায়ই শোনা যাচ্ছে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের মুখে। এরই মধ্যে কক্সবাজারের টেকনাফ আসনের এমপি আবদুর রহমান বদিকে মনোনয়ন দেয়া হবে না বলে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। আমরা মনে করি, অনিয়ম-দুর্নীতি ও বিভিন্ন ফৌজদারি অপরাধে জড়িত এমপিদের কাউকেই মনোনয়ন দেয়ার উপায় নেই। একই সঙ্গে প্রার্থী মনোনয়নে গডফাদার, স্মাগলার, মাদক-ইয়াবায় সংশ্লিষ্ট ও সমালোচিতদের বর্জনে সব দলকেই এগিয়ে আসতে হবে।
সন্ত্রাস, চোরাচালন ও মাদক সম্রাট হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার পরও দ্বিতীয় মেয়াদে কীভাবে আবদুর রহমান বদি মনোনয়ন পেয়েছিলেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। দেশে ইয়াবা ব্যবসার প্রসারে তার ভূমিকা এবং দেশব্যাপী মাদক সাম্রাজ্য গড়ে তোলার পেছনে তিনিই যে মূল হোতা তা বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এলেও এবারই তার বিরুদ্ধে দলের অবস্থান জানান হল। বলার অপেক্ষা রাখে না, এর মধ্যদিয়ে দল হিসেবে আওয়ামী লীগই সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে। কারণ এমন এমপি-কর্মীরা সমাজ, রাষ্ট্রের চেয়ে দলেরই বড় শত্রু। এরা দলের ব্যানারে নিজেদের আখের গোছানোতেই ব্যস্ত থাকে। বিভিন্ন কারণে সমালোচিত এমপি-জনপ্রতিনিধিরা এক দল থেকে বাদ পড়ার পর অন্য দল যেন তাকে সুযোগ না দেয় সেটা নিশ্চিত হওয়া দরকার। দেশে যে এ ধরনের নজির নেহায়েত কম নয় তা বলাই বাহুল্য।
দেশের রাজনীতিতে বর্তমানে কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষণীয়। আওয়ামী লীগের রূপকল্প ২০২১-এর জবাবে বিএনপি ভিশন-২০৩০ দিয়েছে। এমন মনোভাবকে কাজে লাগিয়ে আসন পর্যায়ে বড় দুই দল যোগ্য প্রার্থী মনোনয়নে সচেষ্ট হলে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে । নির্বাচিত হলে কোন প্রার্থী নিজ এলাকার জন্য কী কী কাজ করবেন- মনোনয়ন দেয়ার আগে দলীয়ভাবে এমন বিতর্কের আয়োজন করলে সৎ, যোগ্য ও নিবেদিতপ্রাণ মানবসেবীকে এমপি হিসেবে পাওয়া যাবে বলে আশা করা যায়। এতে করে তরুণ মেধাবীরাও রাজনীতিতে উৎসাহী হয়ে উঠবে। নিজের আখের গোছান নয়, রাজনীতিকে জনসেবা মনে করেন- দেশের স্বার্থে এমন প্রার্থীদের সব দল মনোনয়ন দিলে রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবেই।
সন্ত্রাস, চোরাচালন ও মাদক সম্রাট হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার পরও দ্বিতীয় মেয়াদে কীভাবে আবদুর রহমান বদি মনোনয়ন পেয়েছিলেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। দেশে ইয়াবা ব্যবসার প্রসারে তার ভূমিকা এবং দেশব্যাপী মাদক সাম্রাজ্য গড়ে তোলার পেছনে তিনিই যে মূল হোতা তা বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এলেও এবারই তার বিরুদ্ধে দলের অবস্থান জানান হল। বলার অপেক্ষা রাখে না, এর মধ্যদিয়ে দল হিসেবে আওয়ামী লীগই সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে। কারণ এমন এমপি-কর্মীরা সমাজ, রাষ্ট্রের চেয়ে দলেরই বড় শত্রু। এরা দলের ব্যানারে নিজেদের আখের গোছানোতেই ব্যস্ত থাকে। বিভিন্ন কারণে সমালোচিত এমপি-জনপ্রতিনিধিরা এক দল থেকে বাদ পড়ার পর অন্য দল যেন তাকে সুযোগ না দেয় সেটা নিশ্চিত হওয়া দরকার। দেশে যে এ ধরনের নজির নেহায়েত কম নয় তা বলাই বাহুল্য।
দেশের রাজনীতিতে বর্তমানে কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষণীয়। আওয়ামী লীগের রূপকল্প ২০২১-এর জবাবে বিএনপি ভিশন-২০৩০ দিয়েছে। এমন মনোভাবকে কাজে লাগিয়ে আসন পর্যায়ে বড় দুই দল যোগ্য প্রার্থী মনোনয়নে সচেষ্ট হলে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে । নির্বাচিত হলে কোন প্রার্থী নিজ এলাকার জন্য কী কী কাজ করবেন- মনোনয়ন দেয়ার আগে দলীয়ভাবে এমন বিতর্কের আয়োজন করলে সৎ, যোগ্য ও নিবেদিতপ্রাণ মানবসেবীকে এমপি হিসেবে পাওয়া যাবে বলে আশা করা যায়। এতে করে তরুণ মেধাবীরাও রাজনীতিতে উৎসাহী হয়ে উঠবে। নিজের আখের গোছান নয়, রাজনীতিকে জনসেবা মনে করেন- দেশের স্বার্থে এমন প্রার্থীদের সব দল মনোনয়ন দিলে রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবেই।
Recent Posts