অসহায় পপিকে বিয়ে দিচ্ছেন পুলিশ কর্মকর্তা জহিরুল
চট্টগ্রাম: বাবার ভূমিকা নিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঝুপড়িতে বেড়ে উঠা পপি আক্তারকে (১৮) বিয়ে দিচ্ছেন একজন পুলিশ কর্মকর্তা। আগামীকাল মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ পার্কিং মাঠে এ বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে।
বিয়ের সব খরচের জোগান দিচ্ছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক জহিরুল হক ভূঁইয়া।
জানা গেছে, পপির বাবা বাবুল মিয়া একজন হতদরিদ্র অসহায় মানুষ। স্ত্রী ও কন্যা সন্তান পপিকে নিয়ে পথেই দিন-রাত কাটাতেন বাবুল মিয়া। প্রায় ১২ বছর আগে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকায় ঝুপড়িতে থাকার ব্যবস্থা করে দেন পুলিশ কর্মকর্তা জহিরুল হক ভূঁইয়া।
পরে এক ছেলে সন্তান জন্মের পর মারা যাওয়ায় বাবুল মিয়ার স্ত্রী মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। দীর্ঘ সময় এই অসহায় পরিবারের পাশে থেকে সহযোগিতা করে আসছিলেন জহিরুল হক ভূঁইয়া। এ পুলিশ কর্মকর্তার আথিক আর্থিক সহযোগিতায় মাদ্রাসায় পড়াশোনা করা পপি এখন পা দিয়েছে ১৮ বছরে।
এমন অবস্থায় বাবার ভূমিকা নিয়ে পপিকে বিয়ে দেয়ার উদ্যোগ নেন জহিরুল হক ভূঁইয়া। পাত্র ঠিক করা হয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও বোয়ালখালীর পশ্চিম গোমদন্ডি গ্রামের বাসিন্দা জসিমকে (২৫)।
জানতে চাইলে পুলিশ পরিদর্শক জহিরুল হক ভূঁইয়া একুশে পত্রিকাকে বলেন, বিয়ের যাবতীয় কেনাকাটা শেষ। পপির একমাত্র ইচ্ছা তার বিয়েতে যেন একটা সুন্দর বিয়ের গেইট করা হয়। তার ইচ্ছাটাও পুরণ করেছি।
তিনি বলেন, অন্য দশটা বিয়ের মতো পপির বিয়েতেও নানা পদের খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। এতে দেড়শ জনের খাবারের আয়োজন করা হয়েছে বলেও জানান পরিদর্শক জহিরুল হক ভূঁইয়া