প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ২০ স্কুল পরিদর্শনের নির্দেশ; মাউশি
বিশেষ রিপোর্ট :
মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে অ্যাকাডেমিক সুপারভিশন কার্যক্রম জোরদারকরণে প্রতিমাসে ন্যূনতম পাঁচটি ও সর্বোচ্চ ২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত নির্দেশনা বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সব অঞ্চলের পরিচালক, উপপরিচালক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য পূরণের জন্য প্রয়োজন কার্যকর অ্যাকাডেমিক সুপারভিশন। এ লক্ষ্যে মাউশি অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভিন্ন অফিসে কর্মরত রাজস্বখাতভুক্ত কর্মকর্তারা ছাড়াও সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (সেসিপ) আওতায় কর্মকর্তারা কর্মরত। এসব কর্মকর্তারা প্রতি মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করে নির্ধারিত ছকে অ্যাকাডেমিক সুপারভিশন প্রতিবেদন মাউশি অধিদপ্তরে দাখিল করেন।
আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত মাসিক অ্যাকাডেমিক সুপারভিশন প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, দায়িত্বপ্রাপ্ত এসব কর্মকর্তারা যথাযথভাবে বিদ্যালয়গুলো পরিদর্শন করছেন না। ফলে একাডেমিক সুপারভিশন কার্যকর হচ্ছে না। এ কারণে সেসিপ প্রোগ্রামের আওতায় কর্মরত বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রতি মাসে কয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবেন তা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
এক্ষেত্রে প্রতি মাসে সহকারী পরিচালক ন্যূনতম পাঁচটি, সহকারী পরিদর্শক ও গবেষণা কর্মকর্তা ১৫টি এবং উপজেলা/থানা একাডেমিক সুপারভাইজার/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ২০টি বিদ্যালয়ে একাডেমিক সুপারভিশন কার্যক্রম নিশ্চিত করবেন। এছাড়াও রাজস্বখাতভুক্ত মাঠপর্যায়ের কর্মরত কমকর্তারা তাদের জন্য নির্ধারিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পরিদর্শন কার্যক্রম নিশ্চিত করবেন।
বিষয়টি অতি জরুরি উল্লেখ করে আদেশে বলা হয়, এর ব্যত্যয় ঘটলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।