সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়লো
বিশেষ প্রতিনিধি :
ঢাকা:
বর্ণিত ছুটি অন্য সাধারণ ছুটির মতো বিবেচিত হবে না জানিয়ে আদেশে এই ছুটির সময় যেসব নির্দেশাবলী কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে তাও বলে দেওয়া হয়েছে।
আদেশে বলা হয়, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রশাসনে জনগণকে অবশ্যই ঘরে অবস্থান করতে হবে; অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হলে সবাইকে অনুরোধ করা হলো।
‘সন্ধ্যা ৬টার পর কেউ ঘরের বাইরে বের হতে পারবেন না। এ নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় চলাচল কঠোরভাবে সীমিত করা হয়েছে। ‘বিভাগ, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত সব কর্মকর্তাকে দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করতে হবে।’
আদেশে বলা হয়েছে, জরুরি পরিষেবার (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট ইত্যাদি) ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে না।
‘কৃষিপণ্য, সার, কীটনাশক, জ্বালানি, সংবাদপত্র, খাদ্য, শিল্প পণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জামাদি, জরুরি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন এবং কাঁচা বাজার, খাবার, ওষুধের দোকান ও হাসপাতাল এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবে।’
জরুরি প্রয়োজনে অফিস খোলা রাখা যাবে জানিয়ে ছুটির আদেশে বলা হয়েছে, প্রয়োজনে ওষুধশিল্প, উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানা চালু রাখতে পারবে বলে আদেশ বলা হয়েছে।
‘মানুষের জীবন জীবিকার স্বার্থে রিকশা-ভ্যানসহ যানবাহন, রেল, বাস সার্ভিস পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে। জনগণের প্রয়োজন বিবেচনায় ছুটিকালীন বাংলাদেশ ব্যাংক সীমিত আকারে ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু রাখার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।
সাধারণ ছুটির মধ্যে গণপরিবহন ও দোকানপাট এবং মার্কেটগুলো বন্ধ রয়েছে।
এদিকে করোনা সংক্রমণের পর গত ১৮ মার্চ হতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও ছুটি রয়েছে। এই ছুটি ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
সাধারণ ছুটির মধ্যে গণপরিবহনও বন্ধ রেখেছে সরকার।
ক্লিক করুন, আরো পড়ুন : করোনা ভাইরাস