এস্তাদিও ন্যাসিওনাল দি লিমায় অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে ব্রাজিল। তবে আর্জেন্টিনা ম্যাচের মতো ধার লক্ষ্য করা যায়নি। অন্যদিকে শক্তিতে পিছিয়ে থাকলেও সমান তালে লড়াই করতে থাকে পেরু। তবে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ফলে গোলশূন্য ড্র নিয়ে বিরতিতে যেতে হয় ব্রাজিল ও পেরুকে।
বিরতির পর গোলের জন্য মরিয়া হয়ে খেলতে থাকেন নেইমাররা। এর ফলও পায় ব্রাজিল। ৬০তম মিনিটে সতীর্থের পাস ধরে প্রতিপক্ষের ডি-বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়েন ফিলিপে কুতিনহো। পেরুর ডিফেন্ডরদের বাধার মুখে বলের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভয়ে কোনো রকম আলতো করে বাড়িয়ে নেন জেসাসকে। গোলরক্ষকের মাথায় উপর দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে ব্রাজিলকে উল্লাসে মাতান জেসাস।
৭৮তম মিনিটে ফের উল্লাসে ভাসে ব্রাজিল। জেসাসের পাস থেকে দারুণ এক গোল করে ব্রাজিলের জয়কে সময়ের ব্যাপারে পরিণত করেন রেনাতো। পরের মিনিটে নেইমারের বুলেটগতির শট অল্পের জন্য পোস্টের উপর দিয়ে মাঠে বাইরে চলে গেলে হতাশ হতে হয় এ বার্সেলোনা সুপারস্টারকে।
এরপর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের মধ্য দিয়ে ব্রাজিল-পেরু ম্যাচ এগিয়ে যেতে থাকে। তবে কোনো দলই সফলতার মুখ দেখেনি। ফলে ২-০ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল।
এ জয়ের ফলে ১২ রাউন্ড শেষে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান আরো মজবুত হলো ব্রাজিলের। অন্যদিকে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরেই রয়ে গেল পেরু। চিলির কাছে হেরে গেলেও ২৩ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরেই রইলো উরুগুয়ে। দিনের অপর ম্যাচে ভেনেজুয়েলাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ২০ পয়েন্ট নিয়ে তিনে ওঠে এসেছে ইকুয়েডর। ১৯ পয়েন্ট নিয়ে এক ধাপ এগিয়ে পাঁচে ওঠে এসেছে কলম্বিয়াকে ৩-০ গোলে পরাজিত করা লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা।
বাছাইপর্বের দক্ষিণ আমেরিকান অঞ্চলের ১০ দলের লড়াইয়ের ১৮ রাউন্ড শেষে শীর্ষ চার দল সরাসরি রাশিয়া বিশ্বকাপে অংশ নেবে। পঞ্চম দলটি ওশেনিয়া চ্যাম্পিয়নের সঙ্গে প্লে-অফে খেলবে।