আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে কাজী রিয়াজুল হককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা। আর রিটকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ইউনূছ আলী আকন্দ।
গত ৯ নভেম্বর মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হকের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট করা হয়। রোববার রিটের শুনানি শেষে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ওই রিট আবেদনটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনূছ আলী আকন্দ।
রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বর্তমান জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক ইতোপূর্বে দু’বার কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য হিসেবে নিয়োগ পান। কিন্তু জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৭-এর ২(এইচ) ও ৬(৩) ধারা অনুযায়ী দু’বারের বেশি নিয়োগ হলে তা অবৈধ। কারণ ২(এইচ) ধারায় উল্লেখ আছে, ‘মেম্বার অর্থ কমিশনের চেয়ারম্যানসহ ইহার মেম্বার’।
