রাত পৌনে নয়টার দিকে সরেজমিনে সেখানে গিয়ে দেখা গেছে এমন চিত্র। সেখানে উপস্থিত বিজ্ঞানমনস্ক ব্যক্তিরা ‘ভূত-প্রেতের বিষয়টি নাকচ করে দিয়ে পানির সঙ্গে কোনো রাসায়নিক দ্রব্যের বিক্রিয়ার ফলে আলোর সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেন। কেউ কেউ সিনেমার গল্পের নাগমণির আলোর সঙ্গেও সেই আলোর তুলনা করেন।
খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বাগাতিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম। সেখানে তিনি স্থানীয় কয়েকজনকে পুকুরে নামার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু কেউ নামতে সাহস পাননি। শেষ পর্যন্ত মধ্যরাতে স্থানীয় চার ব্যক্তি একসঙ্গে পুকুরে নামেন।একপর্যায়ে তাঁরা পুকুরের নিচ থেকে তুলে আনেন জ্বলন্ত একটি টর্চ লাইট। অবসান হয় সব জল্পনা-কল্পনার। উপস্থিত সবাই মুচকি হেসে বাড়ি ফিরে যান।
