সরকার সম্পূর্ণ স্বৈরতান্ত্রিক ও একনায়কতান্ত্রিক উপায়ে দেশ শাসন করছে উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘তাদের (সরকারের) মূল লক্ষ হচ্ছে ভিন্নমত ও বিরোধী দলকে সম্পূর্ণভাবে দমন করে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। আজকে সরকারের দুঃশাসনে সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে ভেঙ্গে ফেলে হয়েছে। গণতন্ত্র লুণ্ঠিত হয়েছে। তাই আজকের এই দিনে আমরা শপথ গ্রহণ করছি, ১৯৭১ সালে যে চেতনাকে সামনে নিয়ে আমরা লড়াই করেছি সেই চেতনাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ হব, জনগণ ঐক্যবদ্ধ হবে, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা তারা ফিরিয়ে আনবে। মানুষের অধিকারগুলোকে প্রতিষ্ঠিত করবে, আজকের দিনে এই হচ্ছে আমাদের প্রত্যাশা, এই আমাদের শপথ, এই আমাদের প্রত্যয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুর্ভাগ্যের কথা ১৯৭১ সালে আমরা যখন যুদ্ধ করি ও আজকের এই দিনে যখন বিজয় ছিনিয়ে নেই, তখন আমাদের সামনে স্বপ্ন ছিল একটি সত্যিকার অর্থেই স্বাধীন সার্বভৗম, গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক মুক্ত একটি বাংলাদেশ গড়ার কিন্তু সে স্বপ্ন আমাদের পূরণ হয়নি।’
এর আগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ও মোনাজাতের মাধ্যমে দোয়া করেন। এ সময় মাজারের আশে-পাশে হাজারো নেতা-কর্মীর বিভিন্ন শ্লোগানে এলাকাটি মুখরিত করে রাখেন।
বিজয় দিবস উপলক্ষে বেগম জিয়া তার গুলশানের বাসা ফিরোজা থেকে সকাল ৮ টা ৪০ মিনিটে বের হন। রাস্তায় জ্যাম থাকায় জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে পৌঁছান সকাল ১১ টার দিকে। এরপর তিনি মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা শেষ করে বেগম জিয়া, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে আসেন। এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস ও দলের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা।
