বিকেল ৫টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (পিবিটিএলইইউ)-এর যোগাযোগ সম্পাদক মাহজাবিন মিতালী বলেন, কর্তৃপক্ষ ২২ নভেম্বর বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু সিইওসহ অন্যান্যরা আবার তালবাহানা শুরু করেছেন। তারা আরো সময় চাইছেন। তিনি আরো বলেন, সিটিসেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৫ মাসের বেতন এবং দুটি বোনাস বাকি রয়েছে। আমাদের পাওনা না পাওয়া পর্যন্ত অবস্থান ধর্মঘট চালবে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, কর্তৃপক্ষ আগেও তিন দফা সময় নিয়েছিল। আমরা বার বার সময় দিয়েছি। কিন্তু তারা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি। সে কারণে আমরা তাদেরকে নতুন করে আরও এক মাস সময় দিতে রাজি নই।
এক প্রশ্নের জবাবে মাহজাবিন বলেন, আমরা কাউকে অবরুদ্ধ করে রাখিনি। তবে আমরা কর্মকর্তাদের কক্ষের সামনে অবস্থান করছি। এখন তারা যদি আমাদের অবস্থানের উপর দিয়ে চলে যেতে চান, তাহলে বের হতে পারেন।
আন্দোলকারীদের কাছ থেকে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ১০টা পর্যন্ত অবস্থান ধর্মঘট পালন করবেন। যদি এর মধ্যে সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে বুধবার থেকে অনশন কর্মসূচিতে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
এর আগে, ১৬ নভেম্বর প্রধান কার্যালয়ের পাশে উন্মুক্ত স্থানে এক সংবাদ সম্মেলনে ধর্মঘটের হুমকি দিয়েছিলেন সিটিসেলকর্মীরা
বিটিআরসির পাওনা পৌনে পাঁচশ কোটি টাকা না দেওয়ায় গত ২১ অক্টোবর সিটিসেলের তরঙ্গ বন্ধ করে দেওয়া হয়। দেনা পরিশোধের প্রতিশ্রুতিতে আদালতের নির্দেশে ১৭ দিন পর সিটিসেলের সংযোগ ফিরিয়ে দেওয়া হয়
আপিল বিভাগের আদেশ অনুযায়ী ১৯ নভেম্বর সিটিসেল বকেয়ার ১০০ কোটি টাকা পরিশোধ করে।