বিচারক শুনানি শেষে আদেশে বলেন, ‘একই ঘটনায় দুটি মামলা হওয়ায় এবং মানহানির কোনো উপাদান না থাকায় অত্র মামলা থেকে আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।’
শুনানির সময় বাদী মারুফ খান প্রেম ও ঈশানা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
ঈশানার আইনজীবী এমদাদুল হক লাল জানান, গত ২৫ জুলাই ঈশানার বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের আরেকটি মামলায় অব্যাহতি দেওয়া হয়। মামলাটি বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ছিল।
নথি থেকে জানা যায়, চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি উত্তরার নীলাঞ্জনা শুটিং স্পটে মেগা ধারাবাহিক ‘সহযাত্রী’ নাটকের শুটিং করছিলেন ঈশানা।
শুটিং এর একপর্যায়ে মেকআপ রুমে কয়েকজনের সামনে প্রেমকে নিয়ে বিভিন্ন আজেবাজে কথাবার্তা বলেন ঈশানা।
যা ওখানে উপস্থিত এক সহশিল্পী তার মুঠোফোনে রেকর্ড করেন।
রেকর্ড করা কথা ঈশানা শোনার পর মারুফ খান শুটিং স্পটে উত্তরা পশ্চিম থানা থেকে পুলিশ নিয়ে হাজির হন।
এরপর পুলিশের এক কর্মকর্তার উপস্থিতিতে প্রাথমিকভাবে বিষয়টির সুরাহা হয়।
কিন্তু ঈশানা পরে শুটিংয়ের শিডিউল ফাঁসানো ও বাদীর অনুপস্থিতিতে শুটিং সেটে তাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করায় এবং ফেসবুকে এ বিষয়ে মানহানিকর স্ট্যাটাস দেওয়ায় বাদী মামলাটি করেন
ওইদিন আদালত ঈশানাকে চলতি বছরের ২২ মার্চ আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন।
ঈশানা আদালতের আদেশ অমান্য করায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
এ ঘটনায় গত ৩ ফেব্রুয়ারি ঈশানার বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে মানহানির মামলাটি করেন মারুফ খান প্রেম।