নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জাফর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ঘটনার দিন ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ এবং আগে গ্রেফতার হওয়াদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সর্বশেষ ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। হামলার ঘটনায় হওয়া দুই মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
এদিকে, হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর, মন্দিরে হামলা, লুটপাট, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করেছে। রোববার রাতে মামলা করা হয় বলে জানিয়েছেন নাসিরনগর থানার ওসি আবু জাফর। দুটি মামলায় অজ্ঞাতপরিচয়ের দেড়শ জনকে আসামি করা হয়েছে।
গত ২৮ অক্টোবর রসরাজ দাস নামে স্থানীয় এক হিন্দু যুবক মুসলমানদের পবিত্র কাবাঘরের প্রতি অবমাননাসূচক এক ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে বলে অভিযোগ উঠে। এরপর স্থানীয় লোকজন তাকে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনার পরদিন শনিবার নাসিরনগরে এ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করে। পরের দিন রোববার (৩০ অক্টোবর) উপজেলা সদরের কলেজ মোড়ে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়। সমাবেশ চলাকালে সদরের ১৫টি মন্দির ও শতাধিক বাড়িতে হামলা করা হয়।
ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কাজল দত্ত ও নির্মল দত্ত বাদী হয়ে গত ৩১ অক্টোবর (সোমবার) নাসিরনগর থানায় দুটি মামলা করেন। স্থানীয় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও পুলিশ সদর দপ্তরের উদ্যোগে তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কাদেরকে প্রত্যাহার করা হয়। পরে রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) চৌধুরী মোয়াজ্জেম আহমদকেও প্রত্যাহার করা হয়।
