স্থানীয়রা জানান, নবান্নে নতুন চালের ভাতের সাথে নতুন আলুর ব্যবহার অনেকের পাশাপাশি হিন্দু মতাবলম্বীদের কাছে অনেকটা ধর্মীয় বিধির সমতুল্য। এ কারণে ওই ধরনের আলুর চাহিদা বেশি। যাদের আড়াইশ’ গ্রাম আলু কেনার সামর্থ্য নেই তাদের অনেককে ৫০/১০০ গ্রাম করেও আলু কিনতে দেখা গেছে।
বগুড়া রাজা বাজারের বিক্রেতা আজিজার রহমান জানান, বৃহস্পতিবার নবান্ন, তাই বুধবার থেকেই বাজারে নতুন আলু উঠেছে। দাম ৪০০ টাকা কেজি। তবে কেউ এক কেজি করে নিচ্ছে না। বেশিরভাগই আড়াইশ গ্রাম করে নিচ্ছে।
ক্রেতা তরুণ চক্রবর্তী জানান, হিন্দু সম্প্রদায়ের পঞ্জিকা মতে বৃহস্পতিবার নবান্ন। নবান্ন উপলক্ষে নতুন চাল, নতুন সবজি সবকিছু মিলেই উৎসবটা উদযাপন। অনেক আগে থেকেই শিম, কপি, বাজারে এলেও আলু একটু দেরিতে আসে।
বগুড়া কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক প্রতুল চন্দ্র জানান, বগুড়ায় ৬২ হাজার হেক্টর জমিতে আলুর চাষ হয়েছে। এর মধ্যে আগাম (স্থানীয় ভাষায় আগুর) হিসেবে দেশীয় জাতের আলু ৫ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। তবে শরতের অকাল বর্ষণে ৫ হাজার হেক্টরের মধ্যে প্রায় অর্ধেক পরিমাণ জমির আলু নষ্ট হয়েছে। যার প্রতিক্রিয়াই আলুর বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় মূল্য সূচকের ঊর্ধ্বগতি হয়েছে।