১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেওয়া হয়নি। ওই রায়ের আলোকে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল। আপিল বিভাগের নির্দেশনার পর গত বছরের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় একটি খসড়া শৃঙ্খলা সংক্রান্তবিধি প্রস্তুত করে সুপ্রিম কোর্টে পাঠায়। কিন্তু সে খসড়াটি ১৯৮৫ সালের সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালার অনুরূপ হওয়ায় তা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পরিপন্থী বলে গত ২৮ আগস্ট শুনানিতে জানান আপিল বিভাগ।
এরপর ওই খসড়া সংশোধন করে সুপ্রিম কোর্ট আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। সেইসঙ্গে ৬ নভেম্বরের মধ্যে তা চূড়ান্ত করে প্রতিবেদন আকারে আদালতে উপস্থাপন করতে বলা হয়। কিন্তু ৬ নভেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেল এ সংক্রান্ত কোনো অগ্রগতি আদালতকে জানাতে না পারায় বিধিমালা চূড়ান্ত করার বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা লিখিতভাবে ৭ নভেম্বর জানাতে রাষ্ট্রপক্ষকে নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।
সে ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর বিষয়টি আদালতে উঠলে অ্যাটর্নি জেনারেল সময় চেয়ে আবেদন করেন। শেষবারের মতো সময় দেওয়া হলো জানিয়ে আদালত ২৪ নভেম্বরের মধ্যে শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করে তা আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেন।
তবে ২৪ নভেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেলের আরো ৭ দিন সময় আবেদন করলে আপিল বেঞ্চ সময় আবেদন মঞ্জুর করেন।