জকিগঞ্জ থানার এসআই ইমরোজ তারেক জানান, ২০০৫ সালে সিলেটের কোতোয়ালি থানায় দুদকের দায়ের করা মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে। শনিবার ভারত থেকে জকিগঞ্জ ইমিগ্রেশন হয়ে সস্ত্রীক বাংলাদেশে প্রবেশ করার সময় ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ না থাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। গ্রেফতার আবদুল হাই বিশ্বনাথের তালিবপুর গ্রামের শিল্পপতি রাগীব আলীর ছেলে।
প্রসঙ্গত, মন্ত্রণালয়ের কাগজ জালিয়াতির মাধ্যমে সিলেটের তারাপুর চা বাগানের সম্পত্তি দখলের অভিযোগে শিল্পপতি রাগীব আলী, তার ছেলে আবদুল হাই, মেয়ে রোজিনা কাদির ও জামাতা আবদুল কাদির এবং তারাপুর চা বাগানের সেবায়েত পঙ্কজ কুমার দেসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ১০ আগস্ট গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির দিনই রাগীব আলী, আবদুল হাইসহ অন্যরা জবিগঞ্জ ইমিগ্রেশন হয়ে ভারতে পালিয়ে যান। বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন