আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান।
এর আগে গত ৮ নভেম্বর সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের বিরুদ্ধে রাডার কেনায় দুর্নীতির মামলাটিতে বাকী সাক্ষীদের সাক্ষ্য নিতে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ করে দেন আদালত। ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ কামরুল হোসেন মোল্লা এই আদেশ দেন।
বাকী সাক্ষীদের সাক্ষ্য নেয়ার জন্য দুদকের আবেদনের পর খুরশিদ আলম খান পরিবর্তন ডটকমকে বলেছিলেন, ওই মামলায় অভিযোগপত্রে ৩৮ জন সাক্ষী ছিল। এর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্য নিয়ে মামলাটি যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য রাখা হয়। এ পরিস্থিতিতে দুদক বাকী সাক্ষীদের সাক্ষ্য নিতে বিচারিক আদালতে আবেদন করলে তা খারিজ হয়। এই আদেশের বিরুদ্ধে গত রোববার দুদক পুনর্বিবেচনার আবেদনটি করে। আবেদনে বাকী সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। আবেদনের শুনানি শেষ হয়েছে। ২৪ নভেম্বর আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।
২১ বছর আগের করা এই মামলাটি বিচারের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানোর পর ২০১৪ সালে ঢাকার তৎকালীন বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবদুর রশীদ শুনানিতে বিব্রত বোধ করেন। এরপর মামলাটি কামরুল হোসেন মোল্লার আদালতে আসে। তিনি সাক্ষ্যর নেওয়ার আবেদন খারিজ করে দেন।
এরশাদের বিরুদ্ধে এই মামলায় তার শাসনামলে ফ্রান্সের থমসন সিএসএফ কম্পানির অত্যাধুনিক রাডার না কিনে বেশি দামে যুক্তরাস্ট্রের ওয়েস্টিন কম্পানির রাডার কিনে রাষ্ট্রের ৬৪ কোটি ৪ লাখ ৪২ হাজার ৯১৮ টাকা আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়। ১৯৯২ সালের ৪ মে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো (বর্তমানে বিলুপ্ত) মামলাটি করার পর ১৯৯৪ সালের ২৭ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল হয়। ১৯৯৫ সালের ১২ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। অন্য আসামিরা হলেন- বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, সুলতান মাহমুদ ও ইউনাইটেড ট্রেডার্সের পরিচালক এ কে এম মুসা।
