এর আগে সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শারমিন ওরফে শরিফা (১৮) নামে এক গৃহকর্মীর মৃত্যু হয়।
বেদনা ময়মনসিংহের ধুবাউরার শ্রীপুর গ্রামের শহিদ মিয়ার স্ত্রী। দু’মাস আগে বেদনা ওই বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজে শুরু করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া জানান, বেদনার লাশ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
রাজধানীর গুলশান ২-এ ৭৩ নম্বর রোডের নাভানা টাওয়ারের দ্বিতীয় তলার রান্নাঘরে গ্যাস লিকেজ থেকে সোমবার ভোর ৬টার দিকে আগুন লাগলে তিন গৃহকর্মী দগ্ধ হন। দগ্ধদের মধ্যে শারমিন ওরফে শরিফা ও বেদনা মারা গেছেন। জীবিত অপর গৃহকর্মী পারভীন আক্তারের (৩৫) অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন ডা. পার্থ শংকর পাল।
তিনি জানান, পারভীন আক্তারের (৩৫) শরীরের ২০ শতাংশ পুড়ে গেছে। শ্বাসনালী পুড়ে যাওয়ায় তার অবস্থাও ভালো নয়।