গ্রেফতার ৪ জেএমবি সদস্য বেলাল হোসেন (৪৫), আল আমিন (২০), এরশাদ আলী (২৮) ও আশরাফুল ইসলাম (২০)। তাঁদের সবার বাড়ি রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ঠাঙ্গাইলপাড়া এলাকায়।
এদের মধ্যে একজনের সঙ্গে গত বছর রংপুরে নিহত জাপানি নাগরিক হোশি কুনিওর প্রধান হত্যাকারীর যোগসাজশ ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রংপুর কোতয়ালী থানার ওসি এবিএম জাহিদ জানান, শনিবার গভীর রাতে রংপুর ডিবি পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রংপুর সদর উপজেলার চন্দনপাঠ ইউনিয়নের সাহাবাজপুর এলাকায় জেএমবির গোপন বৈঠকের সময় সেখানে হানা দেয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পুলিশের উপর বোমা ও গুলিবর্ষণ করে। এতে ৪ পুলিশ সদস্য আহত হন। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গ্রেফতার ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
তারা তিন বছর ধরে সাহাবাজপুর এলাকার পরিত্যক্ত একটি ইট ভাটার পাশে একটি শ্রমিক শেডে আস্তানা গড়েছিল। এদের মধ্যে বেলাল হোসেন নামের একজনকে সাদ্দাম হোসেন নামে এক অভিযুক্ত খুনির ‘দীক্ষাগুরু’ বলে জানান রংপুরের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান।
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার কাচু আলুটারি গ্রামে ২০১৫ সালের ৩ অক্টোবর কুনিও হোশিকে হত্যা করা হয়। হত্যা মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি আটজন। তাঁদের মধ্যে চারজন কারাগারে রয়েছেন। তাঁরা হলেন মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী (২১), ইছাহাক আলী (২৫), লিটন মিয়া ওরফে রফিক (২৩), আবু সাইদ (২৮)। পলাতক তিন আসামি হলেন সাদ্দাম হোসেন ওরফে রাহুল ওরফে চঞ্চল ওরফে সবুজ ওরফে রবি (২১), আনসারী ওরফে বিপ্লব (২৪), সাখাওয়াত হোসেন (২৭)। আরেক আসামি নজরুল ইসলাম ওরফে হাসান রাজশাহীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন।