কিন্তু দলীয় ৪৪৯ রানের সময় মিশেল স্টার্কের শর্ট বলে ডেভিড ওয়ার্নারের হাতে ধরা পড়েন শফিক (১৩৭)। সাজঘরে ফেরার আগে গ্যারি সোবার্সকে পেছনে ফেলে ছয় নম্বরে নেমে সর্বোচ্চ শতকের রেকর্ড গড়েছেন তিনি। এরপর স্কোর বোর্ডে ১ রান যোগ হতেই ইয়াসির রান আউট। দশ নম্বর ব্যাটসম্যান ইয়াসির করেছেন ৩৩ রান। শেষ পর্যন্ত প্রায় অসম্ভব লক্ষ্যের পেছনে ছুটে ৪৫০ রানে অলআউট পাকিস্তান। বিশ্বরেকর্ড গড়া হয়নি তাদের। তবে তাদের লড়াইটা এত অসাধারণ যে ক্রিকেটের লড়াইয়ের উদাহরণে বারবার ফিরে আসবে তা। অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ক নিয়েছেন ৪টি উইকেট। জ্যাকসন বার্ড ৩টি ও নাথান লায়ন নেন ২টি উইকেট। পাকিস্তান হারলেও ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার উঠেছে আসাদ শফিকের হাতে।
পাকিস্তান জিততে না পারলেও বেশ কিছু রেকর্ড গড়েছে। এই ৪৫০ পাকিস্তানের ইতিহাসের সর্বোচ্চ চতুর্থ ইনিংস সংগ্রহের নতুন রেকর্ড। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে যে কোনো দলের সর্বোচ্চ চতুর্থ ইনিংস এটি। টেস্টে ইতিহাসের চতুর্থ সেরা চতুর্থ ইনিংসও পাকিস্তানের। এর আগে আছে দক্ষিণ আফ্রিকা (৪৫০/৭), নিউজিল্যান্ড (৪৫১) ও ইংল্যান্ড (৬৫৪/৫)।
উল্লেখ্য আগামী ২৬ ডিসেম্বর দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান।
