নিহত তাহমিনার স্বামীর বাড়ি শিবপুর এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য নাজির আহম্মদ জানান, দ্বিতীয় স্বামী রাসেলের চাচি তাহমিনার ফুফু। এ সুবাদে ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন তাহমিনা। এভাবেই রাসেল ও তাহমিনার মধ্যে প্রেমের সর্ম্পক হয়। ফলে তাহমিনাকে বিয়ে দেওয়ার পর রাসেলের কাছে চলে আসেন।
রাসেলের বাড়ির পাশের চা দোকানি আব্দুর রহিম বলেন, রাসেল শনিবার রাত ৯টায় আমার দোকানে এসে চা পান করে গেছে।
এ ব্যাপারে তাহমিনার দ্বিতীয় স্বামী রাসেল আহম্মেদের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি এবং তার স্বজনরা রাসেলের নম্বর দিতে রাজি হননি। রাসেলের বাবা স্থানীয় মুদি ব্যবসায়ী মো. নবীর মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আয়ুব জানান, লাকসাম ফেয়ার হেলথ হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সে (ঢাকা মেট্রো ছ-৭১১২৬৫) আটক তাতে এক নারীকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে কে বা কারা তাকে ফেয়ার হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সে করে এনেছে তা জানা যায়নি। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।