অনুমোদন দেওয়া কোম্পানিসমূহ এবং ইস্যুকৃত শেয়ার হলো-
১. সুইফট এয়ার কার্গোর বোয়িং এমডি-৮৩ এর এয়ারক্রাফ্টের বিপরীতে ৫ কোটি ২৮ লাখ ৮ হাজার ৮০০ শেয়ার। যার বাজার দর হবে ৫২ কোটি ৮০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা।
২. স্ট্রিলিং এরোস্পেস লিমিটেডের এয়ারবাস এ-৩৪০-৩১৩ এয়ারক্রাফ্টের বিপরীতে ৫ কোটি ২০ লাখ শেয়ার। যার বাজার দর হবে ৫২ কোটি টাকা।
৩. সিঙ্গাপুরের এ-সনিক এভিয়েশন সলিউশনস প্রাইভেট লিমিটেডের বোয়িং এমডি-৮৩ এর বিপরীতে ৫ কোটি ২০ লাখ শেয়ার। যার বাজার দর হবে ৫২ কোটি টাকা।
৪. সিঙ্গাপুরের আর্কটিক টার্ন এভিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেডের এটিআর ৭২-৫০০ এর বিপরীতে ৫ কোটি ২০ লাখ শেয়ার। যার বাজার দর হবে ৫২ কোটি টাকা।
৫. মালয়েশিয়ার ফিনিক্স এয়ারক্রাফট ইনভেস্টমেন্ট (লাবুয়ান) বিডিএইচ এর এটিআর ৭২-৫০০ এর বিপরীতে ৫ কোটি ২০ লাখ শেয়ার। যার বাজার দর হবে ৫২ কোটি টাকা।
৬. সিঙ্গাপুরের ব্ল্যাক ট্রান্সটোন এভিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেডের এর এটিআর ৭২-৫০০ এর বিপরীতে ৫ কোটি ২০ লাখ শেয়ার। যার বাজার দর হবে ৫২ কোটি টাকা।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ। এরপর ২০১১ সালে পুনরায় রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে টাকা উত্তোলন করে। কিন্তু ব্যবসায়িক দুরবস্থায় ২০১৫ সালে কোম্পানিটি কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১৯ কোটি ৪২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। সম্প্রতি কোম্পানিটির ফ্লাইট ৬ মাস যাবৎ বন্ধ থাকায় গত ৬ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়েছে।
