বৈঠকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা নারায়ণগঞ্জে ভোটের পরিস্থিতি ভালো রয়েছে বলে জানান সিইসি।
বৈঠক শেষে সিইসি জানান, নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসী-মাস্তান ও বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী যারা নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছি। এখন তা চলমান রয়েছে। আগামীতে এ অভিযান আরও দৃশ্যমান করতে বলেছি।
মাঠ পর্যায়ের পরিস্থিতি বিষয়ে কাজী রকিব বলেন, এভারেজ যে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রয়েছে, তা স্বাভাবিকের চেয়ে ভালো। এরপরও আমরা কঠোর ব্যবস্থা নিতে বলেছি।
বিএনপি সেনা মোতায়েনের দাবি জানালেও পরিস্থিতি ‘এখন পর্যন্ত এমন নয়’ বলে মন্তব্য করেন সিইসি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি আরো জানান, আগের রাতে কোনো ধরনের জোরাজুরি বরদাশত করা হবে না। কেউ যাতে কেন্দ্র দখল করতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলেছি। ভোটের দিনও যাতে কেউ যেন কেন্দ্র দখল করতে না পারে সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
দেশজুড়ে প্রথম জেলা পরিষদ নির্বাচনে সীমিত ভোটার থাকলেও স্থানীয়ভাবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রাখার জন্যে মাঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন সিইসি।
আইন শৃঙ্খলা সম্পর্কিত বৈঠকে বিভিন্ন বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা ছাড়াও চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব উপস্থিত ছিলেন।
প্রথম দলভিত্তিক নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ সাত দলের প্রার্থী রয়েছে মেয়র পদে। নির্দলীয় কাউন্সিলর পদে ১৫৬ জন সাধারণ ও সংরক্ষিত পদে ৩৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছেন। ২২ ডিসেম্বর এ নগরে ভোট হবে।