চব্বিশ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ২৮ শিশু
মাঘ মাস আসতেই চাঁদপুরে শীতের কাঁপন ধরেছে। পৌষের শীত কাবু করতে না পারলেও গতকাল শুক্রবার শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হওয়ায় সববয়সী মানুষজনকে শীতে কাঁপতে হয়েছে। গত চবি্বশ ঘণ্টায় ঠান্ডাজনিত রোগে চাঁদপুর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ২৮ শিশু ভর্তি হয়েছে। এ তথ্যে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, হঠাৎ শীত বেড়ে যাওয়ায় শিশুরা ঠান্ডাজনিত রোগে শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ মায়েরা তাদের বাচ্চাদের গরম কাপড়ে আবদ্ধ করে রাখবে। ঠান্ডা লাগতে দেবে না। তারপরও সমস্যা হলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
আবহওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানায়, শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয় সকালে ৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেটা উত্তরাঞ্চলের নীলফামারী জেলার রাজার হাটে। চট্টগ্রামে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রের্কড করা হয়েছে।
এদিকে গতকাল শুক্রবার সরজমিনে দেখা যায়, পৌষ মাসের শেষ দিকে চাঁদপুরে হঠাৎ করে কন কনে শীত আর হিমেল বাতাস বইসে। সববয়সী মানুষ সারা শরীর মোটা কাপড়ে আবদ্ধ করে রাখে। রাত ৯টার পর চাঁদপুর শহর অনেকটাই ফাঁকা হয়ে যায়। মানুষ বলাবলি করছে, পৌষে শীত তেমন না পড়লেও মাঘের আগমনীতে শীতের তীব্রতা থেকে বুঝা যায়, এবারের পুরো শীত মাঘ মাসকে ঘিরেই হবে। শহর ও গ্রামে-গঞ্জের বিভিন্ন স্থানে শীতের কাঁপন থেকে রক্ষা পেতে অনেকে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছে। দরিদ্র পরিবারগুলো শীত কষ্টে ভুগছে। তাদের সাহায্যে কেউ এগিয়ে আসছে না।