নূর হোসেনের সাম্রাজ্য দুই ভাতিজা ও ভাইয়ের হাতে

নূর হোসেনের আরেক ভাতিজা সোহেল। সোহেল চিটাগাং রোড থেকে মুগড়াপাড়া রুটে চাঁদা উত্তোলন করে থাকেন। এ রুটে লেগুনা রয়েছে প্রায় ২০০টি। প্রতিটি লেগুনা থেকে কবির নামে তার এক সহযোগী চাঁদাবাজ দৈনিক ২৫০ টাকা করে উত্তোলন করে। এতে প্রতিমাসে সোহেলের আয় হয় ১৫ লাখ টাকা। তবে এ চাঁদার ভাগ পুলিশসহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও আওয়ামী লীগ নেতারা পায় বলে জানিয়েছে তার এক সহযোগী। নূর হোসেন এলাকায় থাকাকালীন তার বাড়ির সামনে সরকারি জমি দখল করে ও এক ব্যক্তির জমি দখল করে মাছের আড়ত তৈরি করেন। ওই আড়ত এখনও তার ভাই নুরুল ইসলামের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ আড়ত থেকে প্রতিমাসে আড়াই লাখ থেকে ৩ লাখ টাকা চাঁদা তোলেন নূরুল ইসলাম ওরফে বড়সাব। আড়তের বিদ্যুৎ বিল দেয়ার পর উত্তোলিত চাঁদা তিনি তার ভাইদের মধ্যে বণ্টন করে দেন। ট্রাক স্ট্যান্ডে ২৫টি দোকানের ভাড়া নেন নূর হোসেনের স্ত্রী রুমা হোসেন। টিপু ও অলি নামে নূর হোসেনের বিশ্বস্ত দুই সহচরের মাধ্যমে রুমা হোসেন প্রতিমাসে ওই দোকানগুলো থেকে ৫৫ হাজার টাকা পেয়ে থাকেন।
নূর হোসেনের ছোট ভাই নুরুজ্জামান জজ ওরফে ছোট মিয়া। নুরুজ্জামান কাঁচপুর ব্রিজের উত্তরে পেপার মিলের দক্ষিণ পাশে ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালুর ব্যবসা করে আসছেন। জেরিন এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে প্রতিমাসে তিনি কয়েক লাখ টাকা আয় করলেও তার বালুর পানি ওই এলাকার ড্রেনে গিয়ে ড্রেনের পানি চলাচলে বিঘœ ঘটে। কিন্তু ওই এলাকার কেউ তার বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ করতে পারে না বলে জানান এলাকাবাসী