সেরা সাঁতারুদের পুরস্কার দেবেন প্রধানমন্ত্রী
ফাইল ছবি
‘সেরা সাঁতারুর খোঁজে বাংলাদেশ’ কার্যক্রমটি শুরু হয়েছিল গত বছর। বাংলাদেশ সাঁতার ফেডারেশনের উদ্যোগ আর বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সহযোগিতায় এ কর্মসূচি ছিল দেশের ৬৪ জেলায়। প্রায় ১৩ হাজার সাঁতারু অংশ নিয়েছিল দেশব্যাপী এ কার্যক্রমে। সেখান থেকে ধাপে ধাপে ৬০ জনকে চূড়ান্তভাবে বাছাই করা হবে দীর্ঘ মেয়াদী প্রশিক্ষণের জন্য।
বাছাই করা সেই সেরা সাঁতারুদের হাতে পদক ও সনদ তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার এ পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান হবে বনানীস্থ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সুইমিং পুলে। সাঁতারের নিজস্ব কোনো অনুষ্ঠানে এই প্রথম উপস্থিত থাকবেন দেশের সরকার প্রধান। শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে সুসজ্জ্বিত করা হয়েছে নৌবাহিনীর সুইমিং পুলটি। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে উৎসবমূখর পরিবেশ এখন সাঁতার অঙ্গনে।
সাঁতার ফেডারেশনের কর্মকর্তারা ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতির এ অনুষ্ঠানকে সফল করতে। মঙ্গলবার অনুষ্ঠানের একটা মহড়াও হয়ে গেল। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় প্রধানমন্ত্রীর সামনেই চূড়ান্তভাবে বাছাই করা হবে ২০ জনকে। বাকি ৪০ জনকে আগেই বাছাই করা হয়েছে। ৮ থেকে ১০, ১১ থেকে ১২, ১৩ থেকে ১৪, ১৫ থেকে ১৭ বছর-এই চার গ্রুপের পাশাপাশি ১৮ থেকে ২২ বছর বয়সেরও বেশ কিছু সাঁতারু অংশ নিয়েছেন এ কর্মসূচিতে।
দেশব্যাপী প্রায় ১৩ হাজার সাঁতারুর মধ্যে থেকে প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হয়েছিল ১২৭৫ জনকে। যাদের নিয়ে ট্রেনিং শুরু হয়েছিল ঢাকায় ফেব্রুয়ারিতে। তাদের মধ্যে থেকে ১৬০ জন সাঁতারু নিয়ে হয়েছে দ্বিতীয় পর্বের প্রশিক্ষণ। সেখান থেকে দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের জন্য নির্বাচিত হবেন ৬০ জন। পুরো কর্মসূচির নেতৃত্ব দিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ান কোচ পার্ক তে গুন। আরো একজন কোরিয়ান কোচ ও স্থানীয় ৭ কোচ ছিলেন পার্কের সহযোগী হিসেবে।
চূড়ান্তভাবে বাছাই করা ৬০ জন নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী যে ক্যাম্প চলবে তা কোনো নির্দিষ্ট গেমসের জন্য নয়। তবে ফেডারেশনের চোখটা বেশি থাকবে কাঠমান্ডুর দিকে। যেখানে অনুষ্ঠিত হবে পরবর্তী এসএ গেমস। দক্ষিণ এশিয়ার অলিম্পিকখ্যাত এ গেমসের গত আসরে বাংলাদেশ পেয়েছিল ২টি স্বর্ণ। দেশের ইতিহাসে মাহফুজা খাতুন শিলা প্রথম নারী সাঁতারু হিসেবে পেয়েছেন প্রথম আন্তর্জাতিক স্বর্ণ। সাঁতার ফেডারেশনের প্রত্যাশা এ কর্মসূচির মাধ্যমে আরো শিলা-সাগর তৈরি হবেন।