চাঁদপুরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তিনজন; আক্রান্ত ১৯
স্টাফ রিপোর্টার:
ফরিদগঞ্জে ধানুয়ায় গত ২৭ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করা আবুল বাসার ওরফে বাসু মিয়া (৭০) এর করোনা রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। অর্থাৎ তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। ৩মে তার রিপোর্ট পজেটিভ আসে। এ নিয়ে চাঁদপুরে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩জন হলো। চাঁদপুরের সর্বশেষ মৃত ব্যক্তি ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের পুর্ব ধানুয়া গ্রামের বাসিন্দা। ওই মৃত ব্যক্তির করোনা রির্পোট পজেটিভ আসায় রোববার দুপুরে ওই গ্রামের কয়েকটি বাড়ী লকডাউন করে স্থানীয় প্রশাসন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। এদিকে রির্পোট আসার ওই মৃত ব্যক্তির কন্ট্রাক ট্রেসিংয়ে আসা ৫জনের নমুনা সংগ্রহ করেছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। বিবষয়গুলো নিশ্চিত করেছেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আশরাফ আহমেদ চৌধুরী।
এছাড়া চাঁদপুরের করোনা পরিস্থিতি তুলনামূলক উন্নতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে। করোনা টেস্ট বাড়লেও নতুন শনাক্তের হার অনেক কম। আগের সনাক্তকৃতরাও ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। সর্বশেষ শনিবার একযোগে ৭০জনের রিপোর্ট করোনা নেগেটিভ পাওয়া গেছে। চিকিৎসকরা একে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
চাঁদপুর সিভিল সাজর্ন ডাঃ শাখাওয়াত উল্ল্যাহ জানান, এ নিয়ে মোট করোন আক্রান্ত হলো ১৯জন। এদের মধ্যে তিনজন মারা গেছেন। ১০জন সুস্থ হয়েছেন। বাকীরা চিকিৎসাধীন আছেন। এছাড়া রোববার মৃত ওই বৃদ্ধসহ ৩৭জনের রিপোর্ট এসেছে। অবশ্য বাকী ৩৬ জনের রিপোর্ট করোনা নেগেটিভ এসেছে। এর মধ্যে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন আছেন ২ জন, কুর্মিটোলা হাসপাতালে ১ জন, আর নিজ নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৪ জন।
তিনি আরো জানান, বর্তমানে জেলার ৭জন করোনা রোগীর মধ্যে ২জন চাঁদপুর সরকারি জেনারেল (সদর) হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আর বাকী ৩জন নিজ বাসা/বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের সবার অবস্থা স্থিতিশীল।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, এ পর্যন্ত চাঁদপুর থেকে সর্বমোট ৪৭৮জনের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর-এ পাঠানো হয়েছে। শনিবার দুপুর পর্যন্ত রিপোর্ট এসেছে ৪১৪জনের। রিপোর্ট অপেক্ষমান আছে ৬৪টি। শনিবার জেলা থেকে আরো ২৯জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, সেগুলো রোববার সকালে আইইডিসিআর পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠানো হবে।